*** সাইয়্যিদুনা ইমাম হুসাইন রা:’র শাহাদাত নিয়ে ইতিহাসে ইয়াজিদ বিন মোয়াবিয়া রা: ‘র সম্পর্কে প্রচুর মতভেদ লক্ষ্যণীয় । ইয়াজিদ সম্পর্কে সবচে’ মারাত্মক ও পথভ্রষ্ট অবস্হান হলো শিয়া জাতির আক্বীদা ও বিশ্বাস ! তাঁরা ইয়াজিদকে কাফের মনে করে । এটা রাফেজী শিয়াদের আক্বীদা । বলেছেন শাইখুল ইসলাম ইব্নে তাইমিয়া রহ: ।
*** সঙ্গত কারণে ইমাম হুসাইন রা: ও মহানবী সা:’র পরিবারের প্রতি আন্তরিকতা দেখাতে গিয়ে এক শ্রেণীর দূর্বল মুসলিম জাতি শরিয়ত বহির্ভূত আবেগের শিকার !!! তাঁরা শিয়াদের নীতিতে বিশ্বাসী ! ফলে এদের ঈমান- আক্বীদাও প্রশ্নবিদ্ধ !
*** আরেকটি গ্রুপ ইয়াজিদকে অধিক নেক্কার বান্দা ও বিশেষ মর্যাদা দেয়ার পক্ষে ! তাঁদের অভিমতও অগ্রহণযোগ্য ।
*** প্রখ্যাত ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহ:কে তাঁর ছেলে সালেহ রহ: প্রশ্ন করলেন “ বাবা, একটি গ্রুপ ইয়াজিদকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে ! “ ইমাম বললেন “ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী, সে কি ইয়াজিদকে ভালোবাসতে পারে ? “ ছেলে প্রশ্ন করলেন “ তা’হলে কি আমরা ইয়াজিদকে লা’নত দেবো ? “ ইমাম বললেন “ তোমার বাবাকে কখনো কারো প্রতি লা’নত দিতে দেখেছো ?”
অর্থাৎ ইয়াজিদ বিন মোয়াবিয়া রা:’র বিষয়ে প্রখ্যাত ইমাম আহমদ ইব্নে হাম্বল রহ:’র অভিমত হলো “ আমরা তাঁকে পছন্দও করিনা এবং ঘৃণাও করিনা ।” আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত এবং আমার অভিমত এটাই ।
*** মুসলিমগণ তুরস্কের প্রধান সমুদ্র বন্দর সহ Constantinople বিজয় লাভ করেন ইয়াজিদের নেতৃত্বে । এ সময়ে তাঁর সংগে ছিলেন প্রখ্যাত সাহাবী আবু আইউব আনসারী রা: ।
*** মহানবী সা: বলেছেন “ Constantinople ( قسطنطينية ) যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রথম দলটি ক্ষমাপ্রাপ্ত ।”
ছহীহুল বোখারি ।
এ অভিযানটি হয়েছিলো ইয়াজিদ বিন মোয়াবিয়া রা:’র নেতৃত্বে । তাঁর সংগে ছিলেন আবু আইউব আনসারী রা: ।
*** ইয়াজিদকে ফাসিক মুসলিম বলা যেতে পারে । তিনি মুসলিম ।তিনি ক্ষমা লাভ করবেন । হাদিসটি তাঁর অভিযানকেই বুঝিয়েছে । সুতরাং ইয়াজিদকে ঘৃণা করাও যাবেনা । আবার পছন্দ করা থেকেও আমরা বিরত থাকবো । এটাই বিশুদ্ধ মত ।
*** খামাখা বংশীয় আবেগ দেখাতে গিয়ে শিয়াদের আক্বীদা পোষণ করবেন না । ইসলাম সম্পর্কে জানুন এবং জানতে চেষ্টা করুন ।
শায়েখ MQM Saifullah Mehruzzaman এর পোস্ট থেকে সংগৃহীত।
#বোখারিরহাদিসঅনুযায়ীইয়াজিদক্ষমাপাবেন।
Tags
আক্বীদা